66game শুরু হয়েছিল একটাই ভাবনা নিয়ে — বাংলাদেশের মানুষ যেন ঘরে বসে, মোবাইলে, নিজের ভাষায় সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা পান। সেই ভাবনা থেকেই আমাদের পথ চলা।
"আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদে, স্বচ্ছন্দে এবং আনন্দের সাথে অনলাইন গেমিং উপভোগ করতে পারেন। প্রযুক্তি, বিশ্বাস আর দায়িত্বশীলতা — এই তিনটিই আমাদের ভিত্তি।"
আমাদের গল্প
২০১৯ সালে ঢাকার একটা ছোট্ট অফিসে মাত্র সাতজন মানুষ মিলে 66game-এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন। তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানেই বিদেশি ওয়েবসাইট, ইংরেজি ইন্টারফেস আর বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলায় একটা পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম তৈরির কোনো উদ্যোগই ছিল না।
66game-এর প্রতিষ্ঠাতা দল এই শূন্যস্থানটা দেখতে পেয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন — একজন রিকশাচালক থেকে শুরু করে একজন কর্পোরেট কর্মী পর্যন্ত সবাই যেন সহজে বুঝতে পারেন এবং আনন্দের সাথে খেলতে পারেন, এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছিল 66game।
প্রথম বছরেই ৫০,০০০-এর বেশি মানুষ 66game ব্যবহার করতে শুরু করেন। মানুষ দেখলেন যে এখানে বিকাশে জমা দেওয়া যায়, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যায়, আর অ্যাপটা দুর্বল নেটওয়ার্কেও চলে। বিশ্বাস একটু একটু করে গড়ে উঠল।
২০২১ সাল নাগাদ 66game বাংলাদেশে ১০ লক্ষ নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর মাইলফলক পেরিয়ে যায়। সেই সময় আমরা iOS অ্যাপ চালু করি, লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যোগ করি এবং গ্রাহকসেবা দলকে ৫০ জনেরও বেশি সদস্যে সম্প্রসারিত করি। প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যবহারকারীদের মতামতকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজকে 66game-এ ৫০ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় সদস্য। ঢাকা থেকে শুরু করে সুন্দরবনের পাশের জেলা পর্যন্ত — সারা বাংলাদেশে মানুষ 66game ব্যবহার করছেন। কিন্তু আমাদের মূল দর্শনটা পাল্টায়নি — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের ভাষায়, বাংলাদেশের পেমেন্ট পদ্ধতিতে।
মাইলফলক
৭ জনের একটি দল ঢাকায় 66game-এর প্রথম সংস্করণ চালু করে। প্রথম মাসেই ৫,০০০ নিবন্ধন।
মোবাইল অ্যাপ চালু হওয়ার পর ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫ গুণ বেড়ে যায়। বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট শুরু।
iOS অ্যাপ প্রকাশ ও লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ যোগ। গ্রাহকসেবা দল ৫০+ সদস্যে পরিণত।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেরা নতুন গেমিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কার পায় 66game।
প্রগ্রেসিভ ওয়েব অ্যাপ চালু এবং AI-চালিত গেম সাজেশন ব্যবস্থা যোগ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং সম্প্রদায়। নতুন সার্ভার আর্কিটেকচার ও UI রিফ্রেশ।
আমাদের বৈশিষ্ট্য
প্রতিটি ফিচার তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের চাহিদা বুঝে।
66game-এর প্রতিটি বাটন, মেনু আর সাপোর্ট মেসেজ বাংলায়। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে ইংরেজির ঝামেলা এখানে নেই।
বিকাশ, নগদ, রকেট আর ব্যাংক ট্রান্সফারে ডিপোজিট ও উইথড্রল। সর্বনিম্ন ৳ ২০০ থেকে শুরু, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
২৫৬-bit SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ এবং নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট — আপনার তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে 66game-এর লাইভ চ্যাটে বাংলায় লিখুন — ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে একজন সাড়া দেবেন।
গ্রামাঞ্চলে ৩G-তেও 66game স্বাচ্ছন্দ্যে চলে। অ্যাপ সাইজ মাত্র ২MB, ব্যাটারি ও ডেটা সাশ্রয়ী।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব ম্যাচ, দেশীয় উৎসবে বিশেষ বোনাস — 66game সব সময় বাংলাদেশের ছন্দে চলে।
আমাদের মূল্যবোধ
66game শুধু একটা ব্যবসা না — এটা একটা দায়িত্ববোধ। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ আমাদের বিশ্বাস করেন, তাই আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যবহারকারীর স্বার্থকে প্রথমে রাখি।
বোনাসের শর্ত থেকে পেমেন্ট পর্যন্ত — সব কিছু পরিষ্কার ভাষায় জানানো হয়। কোনো লুকানো নিয়ম নেই।
আমরা বিশ্বাস করি গেমিং বিনোদনের জন্য। আসক্তি প্রতিরোধে 66game সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেয়।
প্রতিটি আপডেটে নতুন কিছু যোগ করার চেষ্টা থাকে। ব্যবহারকারীদের পরামর্শ থেকেই বেশিরভাগ ফিচার আসে।
৫০ লক্ষ+ সদস্যের এই পরিবার আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের বিশ্বাসই আমাদের প্রতিদিন এগিয়ে যাওয়ার কারণ।
প্রতিটি পেমেন্ট সময়মতো, প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা — 66game-এর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জিত, দাবি করা নয়।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলাদেশে তৈরি। আমাদের সাফল্য মানে বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির সাফল্য।
আমাদের দল
২০০+ জনের একটি নিবেদিতপ্রাণ দল প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে কাজ করছে।
১৫ বছরের প্রযুক্তি ও ফিনটেক অভিজ্ঞতা। 66game-এর মূল দর্শন তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত।
বুয়েট থেকে কম্পিউটার সায়েন্স। 66game-এর পুরো টেক স্ট্যাক তাঁর নেতৃত্বে তৈরি।
ব্যবহারকারীদের মতামত বিশ্লেষণ করে 66game-এর প্রতিটি নতুন ফিচার পরিকল্পনা করেন।
৮০+ সাপোর্ট এজেন্টের দল পরিচালনা করেন। 66game-এর ৯০-সেকেন্ড রেসপন্স সময় তাঁরই অর্জন।
66game বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমরা ডিপোজিট লিমিট, স্ব-বর্জন সুবিধা এবং সচেতনতামূলক বার্তার ব্যবস্থা রেখেছি। ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আরও কিছু কথা
এই প্রশ্নটা আমাদের অনেকেই করেন। উত্তর হলো — না, আমরা শুধু গেমিং সাইট না। আমরা একটা প্রযুক্তি কোম্পানি যেটা বাংলাদেশে ডিজিটাল বিনোদনের সুযোগ তৈরি করছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং দল প্রতিদিন কাজ করছে যাতে প্ল্যাটফর্মটা আরও দ্রুত, আরও নিরাপদ আর আরও সহজ হয়।
বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতি বছর কোটি কোটি বাড়ছে। মোবাইল ব্যাংকিং এখন গ্রামের কোণায় কোণায় পৌঁছে গেছে। এই পরিবর্তনটা 66game আগে থেকেই দেখেছিল এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করেছে।
আমাদের ডেটা সেন্টার বাংলাদেশের কাছের লোকেশনে রাখা হয়েছে, যাতে লেটেন্সি কম হয়। পেমেন্ট গেটওয়েগুলো সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে। এই প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে একটাই কারণ — বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।
66game-এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আরও বেশি স্থানীয় গেম, বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সাথে অংশীদারিত্ব এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি। আমরা বিশ্বাস করি একটা দায়িত্বশীল গেমিং ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারলে সেটা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতেও অবদান রাখবে।
সাধারণ প্রশ্ন
৫০ লক্ষ+ মানুষ ইতিমধ্যে 66game বেছে নিয়েছেন। আজই যোগ দিন — বিকাশে ডিপোজিট করুন, প্রথম বোনাস পান।